সুদান মিশনের অভাবনীয় সাফল্য
সুদানে শান্তি স্থাপনে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের কৌশলগত বিজয়।
east bengal regiment
বিশ্বশান্তি রক্ষায় বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর গৌরবময় পদচারণা আজ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। বিশেষ করে east bengal regiment বা "দ্য টাইগার্স"-এর বীরত্বগাথা বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে বাংলাদেশের পতাকাকে মর্যাদার আসনে বসিয়েছে। যুদ্ধবিধ্বস্ত জনপদে শান্তি ফিরিয়ে আনা থেকে শুরু করে মানবিক সহায়তায় এই রেজিমেন্টের অবদান অপরিসীম।
১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকেই east bengal regiment তাদের পেশাদারিত্ব ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে আসছে। জাতিসংঘ শান্তি মিশনে বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয় ১৯৮৮ সালে, আর সেই থেকেই এই রেজিমেন্ট সম্মুখ সারিতে থেকে দায়িত্ব পালন করছে। আফ্রিকা থেকে মধ্যপ্রাচ্য, প্রতিটি দুর্গম এলাকায় "দ্য টাইগার্স" তাদের দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছে।
কঙ্গো (MONUSCO), দক্ষিণ সুদান (UNMISS), এবং সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে east bengal regiment-এর সদস্যরা চরম প্রতিকূলতার মধ্যেও তাদের দায়িত্ব পালন করছেন। এই রেজিমেন্টের সদস্যরা শুধুমাত্র সামরিক শক্তি প্রয়োগ করেন না, বরং তারা স্থানীয় জনগণের সাথে মিশে গিয়ে রাস্তাঘাট মেরামত, চিকিৎসা সেবা প্রদান এবং শিক্ষা বিস্তারে কাজ করছেন।
শান্তি মিশনের ইতিহাসে east bengal regiment-এর অনেক সদস্য তাদের জীবন উৎসর্গ করেছেন। বিদেশের মাটিতে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় তাদের এই মহান আত্মত্যাগ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের সুনামকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। তাদের এই আত্মত্যাগের ফলেই আজ জাতিসংঘে শান্তিরক্ষী প্রেরণে বাংলাদেশ শীর্ষ দেশগুলোর একটি।
১. উচ্চতর শৃঙ্খলা ও দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা।
২. প্রতিকূল ভূখণ্ডে অভিযোজন করার অসামান্য দক্ষতা।
৩. স্থানীয় সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি।
৪. অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার ও নিপুণ রণকৌশল।
সুদানে শান্তি স্থাপনে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের কৌশলগত বিজয়।
দুর্গত এলাকায় চিকিৎসা ও ত্রাণ বিতরণে আমাদের টাইগার্স।
ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম পদাতিক রেজিমেন্ট।
তাদের অদম্য সাহস এবং রণক্ষেত্রে বাঘের মতো ক্ষিপ্রতার কারণে তাদের এই সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে।
শান্তি রক্ষা, যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ, এবং সংঘাতপূর্ণ এলাকায় মানবিক সহায়তা প্রদান করাই তাদের মূল কাজ।
ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট আন্তর্জাতিক নিয়ম ও নীতি মেনে বিশ্ব শান্তি রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা বিশ্বস্ততার সাথে দায়িত্ব পালন করি।