সিপাহী মোস্তফা কামাল
৪র্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের এই বীর সদস্য আখাউড়ার দরুইন গ্রামে একাই পাকিস্তানি বাহিনীর অগ্রযাত্রাকে রুখে দিয়েছিলেন।
বীর শ্রেষ্ঠ
east bengal regiment
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসে east bengal regiment এর অবদান অনস্বীকার্য। ১৯৪৮ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠিত এই রেজিমেন্ট ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতার চরম পরাকাষ্ঠা প্রদর্শন করে। ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অকুতোভয় সৈনিকরা তাদের জীবনের বিনিময় ছিনিয়ে এনেছে আমাদের স্বাধীনতা। এই নিবন্ধে আমরা ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের বীর শ্রেষ্ঠ, বীর উত্তম, বীর বিক্রম এবং বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা ও তাদের বীরত্বগাথা তুলে ধরেছি।
মহান মুক্তিযুদ্ধে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সদস্যদের মধ্যে ১ জন সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান 'বীর শ্রেষ্ঠ' পদকে ভূষিত হন।
৪র্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের এই বীর সদস্য আখাউড়ার দরুইন গ্রামে একাই পাকিস্তানি বাহিনীর অগ্রযাত্রাকে রুখে দিয়েছিলেন।
বীর শ্রেষ্ঠসাহসিকতা ও নেতৃত্বের জন্য এই রেজিমেন্টের অনেক অফিসার এবং জওয়ান বীর উত্তম পদকে ভূষিত হয়েছেন। তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন:
| নাম ও পদবী | ব্যাটালিয়ন |
|---|---|
| মেজর জিয়াউর রহমান | ৮ম ইস্ট বেঙ্গল |
| মেজর কে এম শফিউল্লাহ | ৩য় ইস্ট বেঙ্গল |
| মেজর খালেদ মোশাররফ | ৪র্থ ইস্ট বেঙ্গল |
| ক্যাপ্টেন হারুন আহমেদ চৌধুরী | ২য় ইস্ট বেঙ্গল |
ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট বা east bengal regiment ১৯৪৮ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সবচেয়ে পুরনো এবং প্রধান পদাতিক রেজিমেন্ট।
ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ১ জন সদস্য, সিপাহী মোস্তফা কামাল, বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান 'বীর শ্রেষ্ঠ' পদক লাভ করেছেন।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ এবং ৮ম ব্যাটালিয়ন সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে এবং পরবর্তীতে আরও ব্যাটালিয়ন গঠিত হয়।
ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের (east bengal regiment) এই বিস্তারিত তালিকাটি অত্যন্ত তথ্যবহুল। আমাদের বীরদের সম্পর্কে জানার জন্য এটি সেরা মাধ্যম।
খুবই সুন্দর উপস্থাপনা। বাংলাদেশের সামরিক ইতিহাস চর্চায় এই ওয়েবসাইটটি দারুণ ভূমিকা রাখছে।
ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতীক। আমরা আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করি।